পোস্টগুলি

অনুপাত ও সমানুপাত(Ratio and Proportion)

ছবি
অনুপাত ও সমানুপাত(Ratio and Proportion) একই জাতীয় দুটি রাশির মধ্যে তুলনাকে অনুপাত বলে।অর্থাৎ দুটি রাশির একক একই হবে।তাহলে আমরা বলতে পারি অনুপাত একটি ভগ্নাংশ। ধরা যাক,মিস্টার রহিম বাজার থেকে 5 কেজি চাল এবং 3 কেজি ডাল কিনলেন।এখানে চাল ও ডালের পরিমাণের মধ্যে যে তুলনা এই তুলনায় হচ্ছে অনুপাত। চাল ও ডালের পরিমানের অনুপাত=5 ∶3 একটি বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মধ্যে 50 জন ছাত্রী এবং 3 0 জন ছাত্র । ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত=30 ∶50 তাহলে দেখা যাচ্ছে যে উভয় ক্ষেত্রেই তাদের একক একই ।প্রথম ক্ষেত্রে দুটিই ছিল ওজনের পরিমাণ এবং দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দুটিই ছিল সংখ্যার পরিমাণ। ভগ্নাংশের যেমন লব ও হর থাকে ঠিক একইভাবে অনুপাতে ও পূর্ব রাশি এবং উত্তর রাশি থাকে। এখানে, ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত=30 ∶50 অনুপাতের ক্ষেত্রে ১ম রাশিকে পূর্ব রাশি এবং ২য় রাশিকে উত্তর রাশি বলা হয়। পূর্ব রাশি=30 এবং উত্তর রাশি=50 500 মিটার কাপড়কে দুইজন ব্যাক্তির মধ্যে 3 ∶7 অনুপাতে ভাগ করলে কি হবে? মোট কাপড়ের পরিমাণ 500 মিটার যাকে আমরা প্রদত্ত 3 ∶7 অনুপাতে ভাগ করবো। যেহেতু মোট কাপড়ের পরিমাণ দেওয়া আছে তাই প্রথমেই অনুপাতের সমষ্টি ...

চতুর্ভূজ(Quadrilateral)

ছবি
চতুর্ভূজ(Quadrilateral) চতুর্ভূজ মানে হলো চারটি বাহু। চারটি বাহু থাকলেই কি চতুর্ভূজ বলা যাবে? না।বলা যাবেনা কারণ চারটি বাহু এলোমেলো ভাবে থাকলে তা কখনোই চতুর্ভূজ হবেনা। তাহলে চতুর্ভুজ হতে হলে চারটি বাহু থাকতে হবে এবং চারটি বাহু দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্র তৈরি হতে হবে । চতুর্ভুজ এর সংজ্ঞাঃ চারটি বাহু দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে। চারটি বাহু দ্বারা আবদ্ধক্ষেত্রের আকৃতির ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন ধরনের চতুর্ভুজ উৎপন্ন হয় ।এর এক একটি এক এক নামে অভিহিত । এর মধ্যে আছে সামন্তরিক, আয়ত,বর্গ, রম্বস, ঘুড়ি ও ট্রাপিজিয়াম।যেকোনো চতুর্ভূজের চার কোণের যোগফল 360° অর্থাৎ চার সমকোণ। নির্দিষ্ট একটি চতুর্ভুজ আঁকতে গেলে নিম্নোক্ত পাঁচটি উপাত্ত থাকা প্রয়োজন-  দুইটি কর্ণ ও তিনটি বাহু দুইটি বাহু ও তিনটি কোণ চারটি বাহু ও একটি কোণ  একটি কর্ণ ও চারটি বাহু  তিনটি বাহু ও এই তিনটি বাহুর অন্তর্ভুক্ত দুইটি কোণ  তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর চেয়ে কম উপাত্ত দিয়েও চতুর্ভুজ আঁকা যায় যেমনঃ সামন্তরিক, আয়ত,বর্গ ও রম্বস। সামান্তরিক( Parallelogram) : যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সম...

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা(Compound Profit)

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা(Compound Profit)   সরল মুনাফার ক্ষেত্রে মূলধন অপরিবর্তিত থাকে।অর্থাৎ মূলধন শুরুতে যা নির্দিষ্ট সময়ের পরে ও তাই হবে ।কিন্তু চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে অর্থাৎ মূলধন নির্দিষ্ট সময় পর পর পরিবর্তিত হয় ।মুনাফা হচ্ছে মূলধনের উপর নির্দিষ্ট হারে প্রাপ্য লভ্যাংশ ।এই মূলধন এবং মুনাফা একসাথে হয়ে পরবর্তী সময়ের জন্য যদি এটি মূলধন হিসেবে কাজ করে তাহলে তাকে বলা হয় চক্রবৃদ্ধি মূলধন ।সরল মুনাফার ক্ষেত্রে মূলধন বাড়ে না কিন্তু চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পরপর মূলধন এবং মুনাফা একত্রিত হয়ে পরবর্তীতে চক্রবৃদ্ধি মূলধন হিসেবে কাজ কর। কোন ব্যক্তি যদি ব্যাংকে ১২% হারে ১৫ হাজার টাকা জমা রাখেন ,তাহলে ব্যাংক তাকে বছরান্তে অর্থাৎ এক বছর শেষে ১৫ হাজার টাকার মুনাফা দিবে। মুনাফা =১৫০০০ ✕ ১ ✕ ১২%টাকা =১৫০০০ ✕ ১ ✕ ০.১২টাকা =১৮০০টাকা। পরের বছরের জন্য ব্যাংক তাকে মুনাফা দিবে ১৫ হাজার টাকা ও প্রথম বছরান্তে যে মুনাফা জমা হয়েছিল সেই টাকার উপর। ১ম বছর শেষে অর্থাৎ দ্বিতীয় বছরের শুরুতে তার মূলধন হবে প্রথম বছর শেষে মুনাফা +১৫ হাজার টাকা=১৮০০টাকা+১৫০০০টাকা=১৬৮০০টাকা...