কোণ(angle)
কোণ চিত্রে দেখা যাচ্ছে যে দুইটি রশ্মি পরস্পরকে একই সমতলে ছেদ করেছে। একই সমতলে ছেদ করার পর একটি আকৃতি তৈরি হয়েছে এবং ছেদবিন্দুতে কোণ তৈরি হয়েছে। দুইটি রশ্মি পরস্পর একটি স্থানে মিলিত হলে কোণ উৎপন্ন হয়।মিলিত স্থানকে শীর্ষবিন্দু বলে এবং যে রশ্মিদ্বয় দিয়ে কোণ তৈরি হয় তাদেরকে বাহু বলে। বিভিন্ন ধরনের কোণ রয়েছে। এর মধ্যে অতি পরিচিত কিছু কোণের বর্ণনা দেওয়া হলো - ১। সরল কোণ( Straight Angle): যদি দুটি রশ্মি পরস্পর বিপরীত দিকে অবস্থান করে এবং এদের একটি সাধারণ প্রান্তবিন্দু থাকে তবে সাধারণ প্রান্তবিন্দুতে উৎপন্ন কোণের মান হবে 180 ডিগ্রি আর যে কোণের মান 180 ডিগ্রী তাকে সরল কোণ বলা হয় । চিত্রে, OA এবং OB রশ্মিদ্বয়ের প্রান্ত বিন্দু O তে ㄥAOB = 180𝆩.তাই ㄥAOB একটি সরল কোণ । ২। পূরক কোণ( Complementary Angle ): যদি দুইটি কোণের পরিমাণ ৯০ ডিগ্রী হয় তবে একটি কোণকে অপরটির পূরক কোণ বলে। চিত্রে,∠POR=90°,OM রশ্মি ∠POR কে দুইটি কোণ∠POM=50°ও∠MOR=40° তে বিভক্ত করেছে।যেখানে,∠POM+∠MOR=∠POR=90° তাই,∠POMও∠MOR কোণ দুইটি পরস্পর পূরক কোণ। ৩। সম্পূরক কোণ( Supplementary Angle): যদি দুইটি কোণের সমষ্টি...